Bogra Designing
A technology Blog.
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৬
শনিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৫
হতে চান গ্রাফিক্স ডিজাইনে সফল? তবে আপনার জন্যই লেখাটি!
নতুন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের প্রথম লক্ষ থাকে, সে একদিন অনেক বড় মাপের
গ্রাফিক্স ডিজাইনার হবে, তার ডিজাইন করা প্রডাক্ট গুলো সারা বিশ্ব ছাড়িয়ে
পড়বে পাশাপাশি এক সময় ভালো আয় করবে। কিন্তু অন্য ৮/১০
টা প্রফেশনের মত ডিজাইনিং সেক্টরেও ক্রিয়েটভিটির গ্রো করিয়ে নিয়ে
ট্রেন্ডের কাজ করে যেতে দরকার কঠিন পরিশ্রম আর সঠিক গাইড লাইন, তাহলেই
সম্ভব সফল হওয়া আজকে আমি আপনাদের সাথে আমার ব্যক্তিগত কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার
করবো যা আপনাকে অবশ্যই অনুপ্রাণিত করবে বহুলাংশে।
# আপনি যা করতে পারেন না, সে বিষয়ে জানার আগ্রহ বাড়ান
ধরুন গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার জন্য বা আরও বিস্তারিত জানার জন্য ওয়েবে ঘোরাঘুরি করছেন, হঠাৎ আপনি সুন্দর এক ওয়েবসাইটে ভিজিট করলেন, আর আপনার মনে হল আপনিও যদি এমনটা করতে পারতেন, কেমন হত তবে? হ্যাঁ আপনিও পারবেন, তবে আপনাকে তাৎক্ষনিক কিছু প্রশ্ন মনে আনতে হবে এবং নিজেকেই সেই প্রশ্নের সমাধান করে করে আনতে হবে। নিচের প্রশ্ন গুলো দেখুন…
১। কিভাবে গ্রাফিক্স টি সম্পাদন হলো বুঝতে চেষ্টা করুন?
২। ডিজাইনটি করার সময় কোন কালার স্কিম ব্যাবহার করছে?
৩। সে নতুনত্ব কি কি আনলো ওয়েবসাইটে?
৪। কোণ বিশেষ ইফেক্ট আছে? সেটা কিভাবে করা যেতে পারে?
“আমি সব সময় এমন কিছু করার চেষ্টা করি যা এর আগে আমি কখনো করিনি আর এর মাধ্যমে আমি প্রতিদিনই নতুন নতুন কিছু শিখি”
# তাৎক্ষনিক চ্যালেঞ্জ গ্রহন করার ক্ষমতা
আপনাকে সফল হতে হলে অবশ্যই তাৎক্ষনিক চ্যালেঞ্জ গ্রহন করার ক্ষমতা রাখতে হবে। প্রথমে কিন্তু আপনি পারবেন না কিন্তু দেখবেন আস্তে আস্তে আপনি ঠিকই পারছেন। আর একটি কথা মনে রাখবেন, কখনো কোন টিউটরিয়াল দেখে আপনি কিছু শিখতে পারবেন না যদি কিনা আপনি সেটার প্রচেষ্টা না করেন। আর আপনার যদি কালার স্কিম নিয়ে সমস্যা হয় তাহলে আপনি এই ২টা অ্যাডঅন ব্যাবহার করে খুব সহজেই সেটি বের করে নিতে পারবেন।
• গুগল ক্রম এর জন্য- আই ড্রপার
• মজিলা ফায়ারফক্স এর জন্য- কালার জিলা
আর কোন ওয়েবসাইটের প্রকৃত মাপ জানতে চাইলে এই ২ টা অ্যাডঅন আপনার কাজে লাগবে।
• গুগল ক্রম এর জন্য- পেজ রুরাল
• মজিলা ফায়ারফক্স এর জন্য- মিসুরালেট
# এবার আপনি গবেষণা শুরু করুন
আপনি এতক্ষণ যে আইডিয়া পেলেন বা যেভাবে গ্রাফিক্সের কাজ করবেন বলে ভাবলেন সেটাকে আমি ফ্রী স্টাইলের কাজ করা বলি এবং ঠিক এই একই ভাবে কাজ করে আমি অনেক নতুন নতুন আইডিয়া পেয়েছি।
# কমেউনিটিতে যোগদান
সফল গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই কমেউনিটিতে যোগ হতে হবে। বর্তমানে অনেক ফেসবুক গ্রুপ আছে, আছে বিভিন্ন ফোরাম যেখানে গ্রাফিক্সের অনেক অনেক আলোচনা হয় আর সাথে আপনি অনেক টিপস ও টিউটোরিয়ালও পাবেন যা আপনার ট্রেন্ডি করে ভালো করতে সেখাবে।
অন্যান্য ডিজাইনারেরা কিভাবে আর কি কাজ করে সেটি জানবেন। এখানে আপনি অনেক আইডিয়া পাবেন যা আপনার অনেক হেল্প করবে নতুন কোন ডিজাইন করতে। DeviantART, Behance, Dribbble ইত্যাদি এই সাইট গুলোতে আপনি আপনার ডিজাইন স্যাম্পল জমা দিতে পারবেন। নিতে পারবেন আপনার ডিজাইনের ফিডব্যাক। আপনার পরিচিতি বাড়ানো কারন আপনি যদি একজন ভালো মানের ডিজাইনার হতে চান তবে ভবিষ্যতে এটি আপনাকে অনেক হেল্প করবে। আপনার সাবমিট করা ডিজাইন গুলো পোর্টফলিও হিসেবে কাজ করে, এগুলো দেখে অনেকেই আপনাকে হায়ার করতে চাইবে পাবেন অনেক কাজের অফার।
# বিভিন্ন কন্টেস্টে যোগদান করা
বিভিন্ন সময় দেখা যা ওয়েবে অনেক কন্টেস্ট চালু করে তাদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী, আপনার উচিৎ অবশ্যই সেই গুলোতে যোগ দেয়া। আপনি ভাব্বেন না যে আপনি সেখানে টিকতে পারছেন না বা পারবেন না, আমি বলবো আপনি কখনো মনোবল হারাবেন না লেগে থাকুন আর আগের করা ভুল গুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে শুরু করুন। নিয়মত বিভিন্ন কন্টেস্টে যোগ দিন, পাঠান আপনার কাজের স্যাম্পল।
আমি আপনাদের সুবিধার জন্য কিছু সাইটের সন্ধান দিচ্ছি যেখানে প্রাই সময় কন্টেস্ট চালু করে থাকে-
• 99Designs
• HatchWise
• CrowdSpring
কন্টেস্ট যোগ দেওয়ার আগে কিছু কথা
• কর্তৃপক্ষ ঠিক কোন ধরনের ডিজাইন চাচ্ছে সেটি ভালো করে বুঝুন।
• আপনার ক্লাইন্টের চাহিদা ঠিক কেমন।
• আপনার ক্লাইন্ট কে বোঝানোর চেষ্টা করুন আপনার কথাগুলা।
# আপনার জ্ঞান শেয়ার করুন গেস্ট পোস্ট অথবা নিজের ব্লগেই
আপনি নিয়মিত লিখা লিখি করতে পারেন, নিজস্ব ব্লগ কিংবা বিভিন্ন গেস্ট ব্লগ সাইটে, অংশ গ্রহণ করতে পারেন ফোরাম সাইটেও। ওয়েবে মার্কেট ধরার এখন পর্যন্ত শীর্ষ একটা মাধ্যম হচ্ছে ফ্রি কন্টেন্ট ডেভেলপ করা, আর যা অতি সহজেই ব্লগিং করে করতে পারবেন। নিজের এক্সপার্টাইজ দেখিয়ে ভালোভাবে ব্লগিং চালিয়ে যেতে পারবে খুব ভালো সারা পাবেন। দেখবেন যে আপনি আস্তে আস্তে ঐ বিষয়ের জনপ্রিয় একজন লেখক হয়ে উঠেছেন আর তখন আপনি নতুন কোন ক্লাইন্ট পেয়ে গিয়েছেন। তাই আপনার ভেতরে যা আছে টা সবার সাথে শেয়ার করুন এতে করে সময় নষ্টের চেয়ে উপকারটাই বেশি হবে।
পরিশেষে আমি আপনাকে এতটুকু বলবো আপনি যদি একজন ভালো মানের গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে চান তাহলে আমার দেয়া নির্দেশনা গুলা ফলো করতে পারেন। আর কেউই কখনো পারফেক্ট ডিজাইনার হতে পারে না ভুল করতে করতে সে তার ভুল গুলা সংশোধন করে নেয়। আপনিও ভুল করুন আর আপনার ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে শুরু করুন দেখবেন আপনি একদিন অনেক ভালো মানে ওয়েব বা গ্রাফিক্স ডিজাইনার হবেন।
Collected from Click
# আপনি যা করতে পারেন না, সে বিষয়ে জানার আগ্রহ বাড়ান
ধরুন গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার জন্য বা আরও বিস্তারিত জানার জন্য ওয়েবে ঘোরাঘুরি করছেন, হঠাৎ আপনি সুন্দর এক ওয়েবসাইটে ভিজিট করলেন, আর আপনার মনে হল আপনিও যদি এমনটা করতে পারতেন, কেমন হত তবে? হ্যাঁ আপনিও পারবেন, তবে আপনাকে তাৎক্ষনিক কিছু প্রশ্ন মনে আনতে হবে এবং নিজেকেই সেই প্রশ্নের সমাধান করে করে আনতে হবে। নিচের প্রশ্ন গুলো দেখুন…
১। কিভাবে গ্রাফিক্স টি সম্পাদন হলো বুঝতে চেষ্টা করুন?
২। ডিজাইনটি করার সময় কোন কালার স্কিম ব্যাবহার করছে?
৩। সে নতুনত্ব কি কি আনলো ওয়েবসাইটে?
৪। কোণ বিশেষ ইফেক্ট আছে? সেটা কিভাবে করা যেতে পারে?
“আমি সব সময় এমন কিছু করার চেষ্টা করি যা এর আগে আমি কখনো করিনি আর এর মাধ্যমে আমি প্রতিদিনই নতুন নতুন কিছু শিখি”
# তাৎক্ষনিক চ্যালেঞ্জ গ্রহন করার ক্ষমতা
আপনাকে সফল হতে হলে অবশ্যই তাৎক্ষনিক চ্যালেঞ্জ গ্রহন করার ক্ষমতা রাখতে হবে। প্রথমে কিন্তু আপনি পারবেন না কিন্তু দেখবেন আস্তে আস্তে আপনি ঠিকই পারছেন। আর একটি কথা মনে রাখবেন, কখনো কোন টিউটরিয়াল দেখে আপনি কিছু শিখতে পারবেন না যদি কিনা আপনি সেটার প্রচেষ্টা না করেন। আর আপনার যদি কালার স্কিম নিয়ে সমস্যা হয় তাহলে আপনি এই ২টা অ্যাডঅন ব্যাবহার করে খুব সহজেই সেটি বের করে নিতে পারবেন।
• গুগল ক্রম এর জন্য- আই ড্রপার
• মজিলা ফায়ারফক্স এর জন্য- কালার জিলা
আর কোন ওয়েবসাইটের প্রকৃত মাপ জানতে চাইলে এই ২ টা অ্যাডঅন আপনার কাজে লাগবে।
• গুগল ক্রম এর জন্য- পেজ রুরাল
• মজিলা ফায়ারফক্স এর জন্য- মিসুরালেট
# এবার আপনি গবেষণা শুরু করুন
আপনি এতক্ষণ যে আইডিয়া পেলেন বা যেভাবে গ্রাফিক্সের কাজ করবেন বলে ভাবলেন সেটাকে আমি ফ্রী স্টাইলের কাজ করা বলি এবং ঠিক এই একই ভাবে কাজ করে আমি অনেক নতুন নতুন আইডিয়া পেয়েছি।
# কমেউনিটিতে যোগদান
সফল গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই কমেউনিটিতে যোগ হতে হবে। বর্তমানে অনেক ফেসবুক গ্রুপ আছে, আছে বিভিন্ন ফোরাম যেখানে গ্রাফিক্সের অনেক অনেক আলোচনা হয় আর সাথে আপনি অনেক টিপস ও টিউটোরিয়ালও পাবেন যা আপনার ট্রেন্ডি করে ভালো করতে সেখাবে।
অন্যান্য ডিজাইনারেরা কিভাবে আর কি কাজ করে সেটি জানবেন। এখানে আপনি অনেক আইডিয়া পাবেন যা আপনার অনেক হেল্প করবে নতুন কোন ডিজাইন করতে। DeviantART, Behance, Dribbble ইত্যাদি এই সাইট গুলোতে আপনি আপনার ডিজাইন স্যাম্পল জমা দিতে পারবেন। নিতে পারবেন আপনার ডিজাইনের ফিডব্যাক। আপনার পরিচিতি বাড়ানো কারন আপনি যদি একজন ভালো মানের ডিজাইনার হতে চান তবে ভবিষ্যতে এটি আপনাকে অনেক হেল্প করবে। আপনার সাবমিট করা ডিজাইন গুলো পোর্টফলিও হিসেবে কাজ করে, এগুলো দেখে অনেকেই আপনাকে হায়ার করতে চাইবে পাবেন অনেক কাজের অফার।
# বিভিন্ন কন্টেস্টে যোগদান করা
বিভিন্ন সময় দেখা যা ওয়েবে অনেক কন্টেস্ট চালু করে তাদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী, আপনার উচিৎ অবশ্যই সেই গুলোতে যোগ দেয়া। আপনি ভাব্বেন না যে আপনি সেখানে টিকতে পারছেন না বা পারবেন না, আমি বলবো আপনি কখনো মনোবল হারাবেন না লেগে থাকুন আর আগের করা ভুল গুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে শুরু করুন। নিয়মত বিভিন্ন কন্টেস্টে যোগ দিন, পাঠান আপনার কাজের স্যাম্পল।
আমি আপনাদের সুবিধার জন্য কিছু সাইটের সন্ধান দিচ্ছি যেখানে প্রাই সময় কন্টেস্ট চালু করে থাকে-
• 99Designs
• HatchWise
• CrowdSpring
কন্টেস্ট যোগ দেওয়ার আগে কিছু কথা
• কর্তৃপক্ষ ঠিক কোন ধরনের ডিজাইন চাচ্ছে সেটি ভালো করে বুঝুন।
• আপনার ক্লাইন্টের চাহিদা ঠিক কেমন।
• আপনার ক্লাইন্ট কে বোঝানোর চেষ্টা করুন আপনার কথাগুলা।
# আপনার জ্ঞান শেয়ার করুন গেস্ট পোস্ট অথবা নিজের ব্লগেই
আপনি নিয়মিত লিখা লিখি করতে পারেন, নিজস্ব ব্লগ কিংবা বিভিন্ন গেস্ট ব্লগ সাইটে, অংশ গ্রহণ করতে পারেন ফোরাম সাইটেও। ওয়েবে মার্কেট ধরার এখন পর্যন্ত শীর্ষ একটা মাধ্যম হচ্ছে ফ্রি কন্টেন্ট ডেভেলপ করা, আর যা অতি সহজেই ব্লগিং করে করতে পারবেন। নিজের এক্সপার্টাইজ দেখিয়ে ভালোভাবে ব্লগিং চালিয়ে যেতে পারবে খুব ভালো সারা পাবেন। দেখবেন যে আপনি আস্তে আস্তে ঐ বিষয়ের জনপ্রিয় একজন লেখক হয়ে উঠেছেন আর তখন আপনি নতুন কোন ক্লাইন্ট পেয়ে গিয়েছেন। তাই আপনার ভেতরে যা আছে টা সবার সাথে শেয়ার করুন এতে করে সময় নষ্টের চেয়ে উপকারটাই বেশি হবে।
পরিশেষে আমি আপনাকে এতটুকু বলবো আপনি যদি একজন ভালো মানের গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে চান তাহলে আমার দেয়া নির্দেশনা গুলা ফলো করতে পারেন। আর কেউই কখনো পারফেক্ট ডিজাইনার হতে পারে না ভুল করতে করতে সে তার ভুল গুলা সংশোধন করে নেয়। আপনিও ভুল করুন আর আপনার ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে শুরু করুন দেখবেন আপনি একদিন অনেক ভালো মানে ওয়েব বা গ্রাফিক্স ডিজাইনার হবেন।
Collected from Click
শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৫
নতুন গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের জন্য গাইডলাইন
নতুন গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের জন্য গাইডলাইন
আসলে শুধুমাত্র পরিশ্রমের মাধ্যমে একজন ডিজাইনার হওয়া সম্ভব নয়, প্রয়োজন পরিকল্পিত পরিশ্রম। আর সেজন্য প্রয়োজন সঠিক গাইডলাইন। সঠিক গাইড লাইনের অভাবে অনেকের ডিজাইনার হওয়ার সপ্নটা পুরন হয়নি। নতুন দিজাইনারগন এই ১০টি পয়েন্টকে গাইডলাইন ভাবতে পারেন।
আসলে শুধুমাত্র পরিশ্রমের মাধ্যমে একজন ডিজাইনার হওয়া সম্ভব নয়, প্রয়োজন
পরিকল্পিত পরিশ্রম। আর সেজন্য প্রয়োজন সঠিক গাইডলাইন। সঠিক গাইড লাইনের
অভাবে অনেকের ডিজাইনার হওয়ার সপ্নটা পুরন হয়নি।
যারা নতুন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হওয়ার চিন্তা করতেছেন তারা
এই ১০টি পয়েন্টকে গাইডলাইন ভাবতে পারেন।
১। একজন প্রফেশনাল মানের ডিজাইনার হতে গেলে আপনাকে অনেক শ্রম ও সময় দিতে হবে। পাশাপাশি আপনার ধৈর্য্য ধারন করার ক্ষমতাও থাকতে হবে। কারন এটা অনেকটা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। আপনি যদি চিন্তা করেন দু এক মাসের মধ্যেই ডিজাইনার হয়ে যাবেন, তাহলে সেটা সম্ভব নয়। সময় দেয়ার মন মানসিকতা থাকতে হবে আপনার।
২। একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনাকে প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আপনি কোন ধরনের ডিজাইনার হবেন (মানে কি ডিজাইন করবেন)। কারন, ডিজাইনার অনেক ধরনের আছে, এবং আছে অনেক ধরনের ডিজাইন। তাই আপনাকে একটু ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সেক্ষেত্রে, কোনটার প্রতি আপনার আগ্রহ বেশী বা আপনি মনে করছেন কোন বিষয়টা আপনাকে দিয়ে হবে এবং সেটাই শুরু করুন।
৩। যদি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়ে যায়, তাহলে সেই বিষয়ের উপর একটা কোর্স করে ফেলেন। ভাববেননা যে, একটা সর্ট কোর্স করলেই আপনি ডিজাইনার হয়ে যাবেন। কোর্স করলে সর্ট টাইমের মধ্যেই আপনি প্রাথমিক ধারনা পেয়ে যাবেন মানে আপনি টুলস এর ব্যবহার শিখে ফেলবেন। সেটা অনলাইন থেকে শিখতে গেলে আপনার অনেক সময় নষ্ট হবে এবং বিরক্ত বোধ করবেন (শুরুতেই থেমে যাওয়ার আশংকা ও থাকে)। যেহেতু আপনি শুরু করার মতো ক্ষমতা অর্জন করে ফেলেছেন তাই বসে না থেকে শুরু করেন।
৫। শুরু করছেন, কিন্তু হচ্ছে না? সার্চ দেন গুগলে, আর দেখতে থাকেন youtube এ আপনার ডিজাইন রিলেটেড ভিডিও। প্রথমে চেষ্টা করুন ভিডিওর মত করতে, তারপর নিজে ভিন্ন কিছু চেষ্টা করেন।
৬। প্রতিদিন নতুন নতুন বিষয় নিয়ে নাড়াচাড়া করুন। মানে নতুন প্রজেক্ট হাতে নেন। একটা নিয়ে পড়ে থাকবেন না।
৭। সফল ডিজাইনারদের সাথে চলাফেরা করুন, তাদের সাথে ডিজাইন নিয়ে আলোচনা করুন।
৮। নতুন নতুন প্রজেক্ট দেখুন। এবং বুঝতে চেষ্টা করুন সেগুলো কিভাবে করা হয়েছে, কোন ইফেক্ট বা কোন কালার স্কিম ব্যবহৃত হয়েছে। আর নতুনত্ব কি আনা হয়েছে।
৯। বিভিন্ন ডিজাইন communities এবং contest এ যোগ দেন। তাদের প্রজেক্ট গুলো দেখেন এবং নিজেরটাও শেয়ার করেন। তাতে অন্যদের টা দেখে শিখতে পারবেন, পাশাপাশি নিজের কাজের মান যাচাই করতে পারবেন।
১০। আপনি এ পর্যন্ত যা শিখেছেন তা শেয়ার করুন পছন্দমত প্লাটফর্মে অথবা নিজের ব্লগে। এতে আপনার ভুলগুলো বুঝতে পারবেন পাশাপাশি অন্যদের কাছ থেকে নতুন আইডিয়া পেতেও পারেন।
Collected from Here
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
